TahMiD's Blog! Tech, Science Writer & Blogger

কি যায় আসে? : বলে চলতে চলতে যায় এসেই গেলো!

বছর দুয়েক হয়ে আসলো, যেখানেই লস খাই আর ক্যান যেন লস মনে হয় না, কারণ জানেন? “কি যায় আসে?” এই বাক্যটা কোন এক ভাবে ভেতরে ইন্সটল হয়ে গেছে। ২০১৮ সালে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যান খেয়েছিলাম, অন্য সময় হলে হয়তো হার্ট ফেইল করতাম, কেননা কাছে উপার্জনের মাধ্যম বলতে ছিল ঐ একটায়। বাট “কি যায় আসে?” এই বাক্য নিজেকেই শুনিয়ে দিলাম আর কুল হয়ে গেলাম!

তো এই মাসে হঠাৎ করে উপলব্ধি করলাম, “আচ্ছা অনেক তো কি যায় আসে, কি যায় আসে করলাম, একটু ভেবে দেখি তো সত্যিই কিছু যায় আসছেও কিনা?” এই ধরুন রিক্সা থেকে নামলাম, জিজ্ঞাস করলাম কতো টাকা ভাড়া হয়েছে কাকা, উত্তরে বলে ৩০ টাকা। অথচ একই রাস্তা বছরের পর বছর ১৫-২০ টাকায় আসছি। তাও কিছু না বলে জাস্ট যা চাইলো সেটাই দিয়ে দিলাম। তারপরে নিজে নিজেই ভাবছিলাম আচ্ছা বেশি টাকা দিলাম কেন? আর সাথে সাথে মনের মধ্যে চলে আসলো এই লেজেন্ডারি বাক্য, “ধুর, কি যায় আসে?”

দোকানে শার্ট কিনতে গেলাম, দাম জিজ্ঞাস করলাম, দাম বলল ৭০০ টাকা, আমি বললাম ৬০০ দেবো, দোকানদার ইনস্ট্যান্ট রাজি। পরে ভেবে দেখলাম আচ্ছা দোকানদার কখন ইনস্ট্যান্ট রাজি হতে পারে? নিশ্চয় ওর এক্সপেকটেশনের থেকেও বেশি দাম বলে দিয়েছি! তারপরে ভালো করে তদন্ত করে দেখি, ঐ শার্টের দাম ৪০০ এর উপরে যাবে না। তখন ভাবলাম, “কি যায় আসে?” ২০০ টাকায় তো? যাক…

এখন এই পর্যায়ে হয়তো যে কেউই ভাববে, “কি বিশাল বড়লক্স রে বাবা!” অনেকে বলবে, “টাকা বেশি থাকলে যা হয়!” কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও এমন নয়, আমি অগুনতি টাকা ইনকাম করি না, যেটাই করি বাট খরচ করি বেশি, আর তার থেকে বেশি টাকা চলে যায় এই কি যায় আসে বাক্যের কারণে!

এভাবেই স্বভাব চালুই রয়েছে আর হিসেব করে দেখালাম, শুধু কি যায় আসে বলতে বলতে এই মাসেই কমপক্ষে ১০ হাজারের মতো বেশি দিয়ে দিয়েছি, যেটা সহজেই সেভ করতে পারতাম। তো কি যায় আসে আসে বলতে বলতে মনে হচ্ছে এবার সত্যিই যায় আসার দিকে দৌড়াচ্ছে ব্যাপারখানা।

বাট……………

“কি যায় আসে?”

লেখকের সম্পর্কে

Tahmid Borhan

ইন্টারনেটে অধিকাংশ রিডার আমাকে প্রযুক্তি ব্লগার এবং একজন টেকগীক হিসেবেই চেনেন। এছাড়াও আমি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে থাকি, নতুন নতুন জিনিষ শিখতে এবং এক্সপ্লোর করতে ভালোবাসি, প্রচণ্ড মুভি দেখি ও গান শুনি, বিজ্ঞান চর্চা করতে ভালোবাসি।

ঠিক যখনই আমি জীবনের অর্থ খুঁজে পেলাম, সে তা বদলে দিল!

1 comment

TahMiD's Blog! Tech, Science Writer & Blogger

Tahmid Borhan

ইন্টারনেটে অধিকাংশ রিডার আমাকে প্রযুক্তি ব্লগার এবং একজন টেকগীক হিসেবেই চেনেন। এছাড়াও আমি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে থাকি, নতুন নতুন জিনিষ শিখতে এবং এক্সপ্লোর করতে ভালোবাসি, প্রচণ্ড মুভি দেখি ও গান শুনি, বিজ্ঞান চর্চা করতে ভালোবাসি।

ঠিক যখনই আমি জীবনের অর্থ খুঁজে পেলাম, সে তা বদলে দিল!